ঢাকা।। বাংলাদেশের যে কোনো সমস্যায় পাশে থেকেছে ভারত। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উদযাপনের শেষ দিনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যেএসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এসময় বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০-এ ভূষিত করায় ভারত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বলেন, বিগত যে কোন সময়ের চেয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নিত হয়েছে।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর ১০ দিনের আয়োজনে শেষ দিনে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির সফর ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে যোহ দান তাৎপর্য বয়ে আনে।
জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ১০ দিনের সমাপনী আয়োজনে সভাপতিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বক্তব্যের শুরুতে করোনা মহামারীর মধ্যেও বাংলাদেশ সফরের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, এই সফরে বেশকিছু যৌথ কর্মসূচি পালক করবে দুই দেশ। সেইসাথে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতিতের যে কোন সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে শিল্প, জ্বালানী, যোগাযোগ সব ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। এ সময় শক্তিশালী দক্ষিণ এশিয়া গড়তে ভারতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রধান মন্ত্রী।
২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় সকল ভেদাভেদ ভুলে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।